Google Oneindia Bengali News

আইনি জটিলতায় আবারও পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন। সোমবার রাজ্যের চারটি পৌরসভায় ভোটের দিন ঘোষণা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ঘোষণা অনুযায়ী, ভোট হবে ২২ জানুয়ারি

পশ্চিমবঙ্গ

হাই-কৌসিক সিনহা

গুগল ওয়ানইন্ডিয়া বাংলা খবর

আইনি জটিলতায় আবারও পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন। সোমবার রাজ্যের চারটি পৌরসভায় ভোটের দিন ঘোষণা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ঘোষণা অনুসারে, বিধাননগর, শিলিগুড়ি, আসানসোল এবং চন্দননগরে 22 জানুয়ারি ভোট হবে। কিন্তু জটিলতার জেরে হাওড়া পুরসভায় ফের ভোট হচ্ছে না। কিন্তু কেন?

কমিশনের নির্দেশনা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা হয়

কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। পিটিশনে শুধু কমিশনের সিদ্ধান্তকেই চ্যালেঞ্জ করা হয়নি, হাওড়ায় আগাম নির্বাচনেরও আহ্বান জানানো হয়েছে। জানা গেছে, এরই মধ্যে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন মামলাটি গ্রহণ করেছেন। অপরদিকে সোমবার রাতে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়। চলতি সপ্তাহে উভয় মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, দ্বিতীয় জনস্বার্থ মামলা করেছেন মৌসুমী রায়। উপনির্বাচন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনকে চ্যালেঞ্জ করে তার পক্ষ থেকে এ মামলা করা হয়। শুধু তাই নয়, হাওড়া পুরসভা ছাড়া বাকি চারটি পৌরসভায় কেন নির্বাচন হচ্ছে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বাদী।

আগের দিন, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল আদালতকে বলেছিলেন যে রাজ্যপাল হাওড়া এবং বালি সম্পর্কিত বিলে স্বাক্ষর করেছেন। তবে, রাজ্যপাল বলেছেন যে তিনি এখনও হাওড়ার জন্য কোনও বিলে স্বাক্ষর করেননি। কারা বিভ্রান্তি ছড়ালো তার তদন্ত দাবি করে মামলা করা হয়েছে। যেখানে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, কমিশন কেন হাইকোর্টকে জানালেও তালিকা থেকে বাদ দিল হাওড়া পুরসভার নাম। বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ করে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি এ ধরনের মামলা করার অনুমতি দেন। দুই মামলার শুনানি একসঙ্গে হতে পারে বলে জানা গেছে।

হাওড়া নিয়ে ক্রমশ জটিলতা তৈরি হচ্ছে। প্রথমে বলা হয়েছিল হাওড়া ও কলকাতা পুরসভা নির্বাচন একসঙ্গে হবে। কিন্তু বিলে স্বাক্ষর ছাড়া তা করা সম্ভব হয়নি। এ ক্ষেত্রে রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল মামলার শুনানিতে বলেন, হাওড়া বিলে সই করেছেন রাজ্যপাল। এবারও ভোট হবে।

কিন্তু হাওড়া যে চারটি জায়গায় সোমবার ভোট ঘোষণা করা হয়েছে তার মধ্যে নেই। আর এখানেই বিরোধীদের আপত্তি। উল্লেখ্য, হাওড়া বিল স্বাক্ষরের বিষয়ে রাজ্যের কাছ থেকে কিছু তথ্য চান ধনখর। না দিয়ে সই করা হচ্ছে না। ফলে জটিলতা বাড়ছে। হাওড়া ও বালিকে আলাদা করার জটিলতা।

ইংরেজি সারাংশ

হাওড়া ছাড়া পৌর নির্বাচন কেন হবে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা

Leave a Comment